হে মহাজীবন কবিতা – সুকান্ত ভট্টাচার্য

হে মহাজীবন কবিতা – হে মহাজীবন,আমি কাব্যের ভাষায় হারিয়েছি বারে বারে। নতুন কিছু আবিস্কারের নেশায়,হয়তবা,কবিতার ভাষা বিনির্মাণের প্রয়াশে। এই কবিতাটি বিভিন্ন মাত্রার সংলাপ এ ছন্দায়িত,পাঠকের হৃদয় এ অবিনশ্বর।

 

সুকান্ত ভট্টাচার্য 2 হে মহাজীবন কবিতা - সুকান্ত ভট্টাচার্য

 

পিতা-নিবারণ ভট্টাচার্য, মা-সুনীতি দেবী। । ১৯২৬ সালের ১৫ই আগস্ট তিনি তার মাতামহের বাড়ি কলকাতার কালীঘাটের ৪৩,মহিম হালদার স্ট্রীটের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। এক নিম্নবিত্ত পরিবারে জন্ম।উনার পৈতৃক বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার অন্তর্গত ঊনশিয়া গ্রামে। বেলেঘাটা দেশবন্ধু স্কুল থেকে ১৯৪৫ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হন। এ সময় ছাত্র আন্দোলন ও বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ায় তার আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে। সুকান্তের বাল্যবন্ধু ছিলেন কবি অরুণাচল বসু।

সুকান্ত সমগ্রতে লেখা সুকান্তের চিঠিগুলির বেশিরভাগই অরুণাচল বসুকে লেখা। অরুণাচল বসুর মাতা কবি সরলা বসু সুকান্তকে পুত্রস্নেহে দেখতেন। কবির জীবনের বেশিরভাগ সময় কেটেছিল কলকাতার বেলেঘাটার ৩৪ হরমোহন ঘোষ লেনের বাড়ীতে। সেই বাড়িটি এখনো অক্ষত আছে। নিকটেই কবির ভাইদের মধ্যে দুজন, বিভাস ভট্টাচার্য ও অমিয় ভট্টাচার্যের বাড়ী। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সুকান্তের সম্পর্কিত ভ্রাতুষ্পুত্র।

 

 

হে মহাজীবন কবিতা – সুকান্ত ভট্টাচার্য

 

হে মহাজীবন কবিতা - সুকান্ত ভট্টাচার্য

 

হে মহাজীবন, আর এ কাব্য নয়
এবার কঠিন, কঠোর গদ্যে আনো,
পদ-লালিত্য-ঝঙ্কার মুছে যাক,
গদ্যের কড়া হাতুড়িকে আজ হানো ।
প্রয়োজন নেই, কবিতার স্নিগ্ধতা,
কবিতা তোমায় দিলাম আজকে ছুটি
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী-গদ্যময়:
পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি ।

 

হে মহাজীবন কবিতা এর ব্যাখ্যা:

সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৫ই আগস্ট ১৯২৬ – ১৩ই মে ১৯৪৭) বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি।

তাঁর রচিত ‘হে মহাজীবন’ কবিতার একটি লাইন ‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’।অভুক্ত, দরিদ্র, ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে কাব্য কিংবা কবিতা অনর্থক। তাদের কাছে সবকিছুই গদ্য অর্থাৎ বাস্তবতা হলো ক্ষুধা মিটানোর অন্ন ছাড়া আর কিছুই নয়। এটাই এই পঙক্তির মূলভাব।

সুকান্ত ভট্টাচার্য 2 হে মহাজীবন কবিতা - সুকান্ত ভট্টাচার্য

 

হে মহাজীবন কবিতা আবৃত্তিঃ

 

 

 

Competitive Exams Preparation Gurukul, GOLN Logo [ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি গুরুকুল, লোগো ]

আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন